Showing posts with label Health. Show all posts
Showing posts with label Health. Show all posts

Monday, January 18, 2016

Health Issues


Share Your knowledge on Health and Fitness

↑ Grab this Headline Animator

Search more related contents -
Custom Search

Monday, October 26, 2015

Health Tips - 3 : স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিদিন

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

  • মুখে কোন রেশ বের হলে অড়হর ডাল বাটা পেষ্ট লাগান রেশের উপর। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ থাকবেনা।

  • পিঠের কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন। এটা নিয়মিত করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।

  • মুখের তাৎক্ষনিক লাবণ্য আনতে একটা ভেষজ রুপটান আছে। আধা চা চামুচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। পনের মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার মুখকে আদ্র রাখবে।

  • হাত পায়ের সৈৌন্দয্য অক্ষুন্ন রাখতে হাতে ও পায়ে আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে।

  • মুখের বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান, পরে ধুয়ে ফেলুন।

  • নিঃশ্বাসের দুগন্ধ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত দুই কোয়া করে কমলালেবু খান। দুই মাস পর এ সমস্য থাকবেনা।

  • সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান যেকোন দাগ মিলিয়ে যাবে।

  • অতিরিক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।



Search more related contents -
Custom Search

Health Tips -2 : রোজকার কিছু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত টিপস

v ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি নিয়মিত করলে ঠোটেঁর কালো দাগ উঠে যাবে।

v টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।
v হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
v কনুইতে কালো ছোপ দূর করতে লেবুর খোসায় টিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।
v মুখের ব্রণ আপনার সুন্দর্য নষ্ট করে। এক্ষেত্রে রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে।
v লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে যেখানে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান।
v চুল পড়া বন্ধ করতে মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগান।
v তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা। আধা ঘন্টা পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
v যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

v পায়ের গোড়ালি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন এ জায়গায়।

Search more related contents -
Custom Search

Uses of Malabar Leaf in herbal treatment : তেজপাতা এমন এক হার্ব যার অনেক গুণ-

Search more related contents -
Custom Search

তেজপাতা এমন এক হার্ব যার অনেক গুণ-

পরিচিতি: বৃক্ষ পর্যায়ভূক্ত এই গাছটি মাঝারি ধরনের উঁচু এবং গন্ধ বিশিষ্ট। ঈষৎ লাল আভাযুক্ত ধূসর বর্ণের কান্ড। পাতা / ইঞ্চি পর্যন্ত হতে দেখা যায়। পাতাগুলো বিপরীতভাবে বিন্যস্ত, এগুলি কচি অবস্থায় লাল, পরে সবুজ হয়ে যায়। মার্চ-এপ্রিল মাসে ফুল ফল হয়। ফলগুলি পাকলে কালো বর্ণের হয়ে থাকে।

ঔষধি গুনাগুন : পাতা বাতব্যধি, আমবাত প্রভৃতিতে ব্যবহৃত হয়। পাতার ক্কাথ সন্তান প্রসবের পর প্রসূতিকে খেতে দিলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ফল থেকে একপ্রকার উদ্ধায়ি তেল পাওয়া যায় এবং তা বিভিন্ন ঔষধে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

Malabar Leaf- An Unique Herb : তেজপাতা এমন এক হার্ব যার অনেক গুণ-

তেজপাতা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
খিচুড়ি থেকে পরমান্ন, মুগ ডাল থেকে মাংস আমাদের রান্নার সব পদেই ব্যবহার করা হয় যে তেজপাতা সে তেজপাতার ঔষধি গুণ প্রায় তুলনা রহিত। তেজপাতা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে যেমন কাজ করে তেমনি এর রয়েছে ফোলা কমানোরও গুণ। তেজপাতা রক্ত পরিষ্কার করে এবং গলার খর খরে ভাব দূর করতেও একে ব্যবহার করা যায়। নর্দমাব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দেখেছেন, তেজপাতার মধ্যে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর গুণও রয়েছে।
আলঝাইমার্স রোগে মানুষের স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ রোগের জন্য যে এনজাইমটি দায়ী তা প্রতিরোধ করার উপাদান রয়েছে তেজপাতায়। আলঝাইমার্স রোগের উদ্দীপক অ্যাসিটাইলকোলিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারটি তেজপাতায় থাকা উপাদান ভেঙ্গে দেয়।
অনুঘটক হিসেবে কাজ করার সময় এমন বিষাক্ত কিছু সৃষ্টি করে যা শরীরের জেনেটিক কোড অর্থাৎ ডিএনএ-কে আহত করে। কিছুদিন আগে সায়েন্স পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষক দলের প্রধান আয়ন এ ব্লেয়ার বলেছেন, তবে ভিটামিন-সি পিল মানেই ক্যান্সার রোগের কারণ নয়। গবেষণায় ভিটামিন-সি পিল সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছে, এটা যেমন শরীর ভাল রাখে, তেমনি তা খারাপও কিছু করতে পারে। শরীর সম্পর্কে যারা সজাগ এবং ভাল রাখার চেষ্টা করেন তাদের এ পিল অতিরিক্ত না খাওয়াই ভাল।
ওরিগ্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যপক ব্লেয়ারের মতে, শরীরে ভিটামিন সি-র চাহিদা মেটাতে সুষম আহারই সবচেয়ে ভাল উপায়। এক্ষেত্রে আদর্শ আহার হিসেবে বিশেষ করে উল্লেখ করা যায় লেবু জাতীয় ফল, সবুজ শাক-সবজি, শস্যদানা ইত্যাদি।
অবশ্য পরীক্ষাটা যেহেতু গবেষণাগারে টেস্ট টিউবে করা হয়েছে, তাই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর আগে মানবদেহে তা বিশেষভাবে পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে ব্লেয়ার মন্তব্য করেছেন।
- See more at: http://www.dailyinqilab.com/2014/04/23/174322.php#sthash.WG3Pb4y8.dpufতেজপাতা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
খিচুড়ি থেকে পরমান্ন, মুগ ডাল থেকে মাংস আমাদের রান্নার সব পদেই ব্যবহার করা হয় যে তেজপাতা সে তেজপাতার ঔষধি গুণ প্রায় তুলনা রহিত। তেজপাতা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে যেমন কাজ করে তেমনি এর রয়েছে ফোলা কমানোরও গুণ। তেজপাতা রক্ত পরিষ্কার করে এবং গলার খর খরে ভাব দূর করতেও একে ব্যবহার করা যায়। নর্দমাব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দেখেছেন, তেজপাতার মধ্যে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর গুণও রয়েছে।
আলঝাইমার্স রোগে মানুষের স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ রোগের জন্য যে এনজাইমটি দায়ী তা প্রতিরোধ করার উপাদান রয়েছে তেজপাতায়। আলঝাইমার্স রোগের উদ্দীপক অ্যাসিটাইলকোলিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারটি তেজপাতায় থাকা উপাদান ভেঙ্গে দেয়।
অনুঘটক হিসেবে কাজ করার সময় এমন বিষাক্ত কিছু সৃষ্টি করে যা শরীরের জেনেটিক কোড অর্থাৎ ডিএনএ-কে আহত করে। কিছুদিন আগে সায়েন্স পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষক দলের প্রধান আয়ন এ ব্লেয়ার বলেছেন, তবে ভিটামিন-সি পিল মানেই ক্যান্সার রোগের কারণ নয়। গবেষণায় ভিটামিন-সি পিল সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছে, এটা যেমন শরীর ভাল রাখে, তেমনি তা খারাপও কিছু করতে পারে। শরীর সম্পর্কে যারা সজাগ এবং ভাল রাখার চেষ্টা করেন তাদের এ পিল অতিরিক্ত না খাওয়াই ভাল।
ওরিগ্যান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যপক ব্লেয়ারের মতে, শরীরে ভিটামিন সি-র চাহিদা মেটাতে সুষম আহারই সবচেয়ে ভাল উপায়। এক্ষেত্রে আদর্শ আহার হিসেবে বিশেষ করে উল্লেখ করা যায় লেবু জাতীয় ফল, সবুজ শাক-সবজি, শস্যদানা ইত্যাদি।
অবশ্য পরীক্ষাটা যেহেতু গবেষণাগারে টেস্ট টিউবে করা হয়েছে, তাই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর আগে মানবদেহে তা বিশেষভাবে পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে ব্লেয়ার মন্তব্য করেছেন।তেজপাতা এমন এক হার্ব যার অনেক গুণ-

সুগন্ধি মসলা তেজপাতা শুধু রান্নার স্বাদ কিম্বা ঘ্রাণ বাড়ায় না, আছে অনেক পুষ্টিগুণ। খিচুড়ি থেকে পরমান্ন, মুগ ডাল থেকে মাংস আমাদের রান্নার সব পদেই ব্যবহার করা হয় তেজপাতা। তেজপাতায় ভিটামিন, মিনারেল, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, জিংক, আয়রন ও সোডিয়ামের উত্তম উৎস। তেজপাতা রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টরেল এলডিএল কমায়। স্মৃতিশক্তি নষ্ট করার জন্য দায়ি এনজাইমটি প্রতিরোধ করে। এছাড়াও আছে নানা গুণ। আসুন জেনে নেয়া যাক তেজপাতার চমৎকার সব গুণ।

- খাবারে নিয়মিত তেজপাতা ব্যবহার করলে হৃদযন্ত্রের পেশির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।

- তেজপাতা হজমে সহয়তা করে। তেজপাতা গাছের ছাল কিংবা পাতা বেটে রস করে খেলে পেটের ব্যথা ভালো হয়।

- চোখ ওঠা ও ফোড়া হলে তেজপাতা সিদ্ধ পানি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এছাড়া ফোড়ার ওপর তেজপাতা বেটে প্রলেপের মতো করে দিলে ব্যথা কমবে।

- ডায়রিয়া, হাম ও দীর্ঘস্থায়ী জ্বর হলে তেজপাতা সেদ্ধ পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

- পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।

- দুইটা তেজপাতা এক লিটার পানিতে সিদ্ধ করে আধা লিটার করে নিন। এরপর ওই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে ঠাণ্ডায় গলাভাঙ্গা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে।

- প্রতিদিন রং চায়ের সঙ্গে তেজপাতা খেলে ত্বকের সতেজতা ঠিক থাকবে।

- তেজপাতা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। তাই তেজপাতার গুঁড়া, শসা, মধু, দই ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে নিন।



কিছু গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য হতে জানা যায়- এই তেজপাতার ঔষধি গুণ প্রায় তুলনারহিত । তেজপতা অ্যানিট অক্সিডেন্ট হিসাবে যেমন কাজ করে তেমনি এর রয়েছে ফোলা কমানোর ও গুণ । তেজপাতা রক্ত পরিষ্কার করে এবং গলার খর খরে ভাব দূর করতেও এক ব্যবহার করা যায়। ইদানিংকালে নর্দামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী গবেষণা করে দেখেছেন, তেজপাতার মধ্যে স্মতিশক্তি বাড়ানোর গুণ ও রয়েছে। আলজাইমার্স রোগে মানষের স্মতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এ রোগের জন্য যে এনজাইমটি দায়ী তা প্রতিরোধ করার উপাদান রয়েছে তেজপাতায়। আলজাইমার্স রোগের উদ্দীপক অ্যাসিটাইকোলিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারটি তেজপাতার থাকা উপাদান ভেঙ্গে দেয়। অনুঘটক হিসাবে কাজ করার সময় বিষাক্ত কিছু সুষ্টি করে যা শরীরের জেনাটিক কোড অর্থাৎ ডি এন  এ -কে আহত করে। 

তবে, বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় গর্ভবতী  মায়েদের জন্যে তেজপাতা বেশি খাওয়া স্বাস্থকর নয়।

তেজপাতা সুগন্ধি মসলা।কাচা পাতার রং সবুজ আর শুকনো পাতার রং বাদামী।এটি ----
সুগন্ধি মসলা তেজপাতা শুধু রান্নার স্বাদ কিম্বা ঘ্রাণ বাড়ায় না, আছে অনেক পুষ্টিগুণ। খিচুড়ি থেকে পরমান্ন, মুগ ডাল থেকে মাংস আমাদের রান্নার সব পদেই ব্যবহার করা হয় তেজপাতা। তেজপাতায় ভিটামিন, মিনারেল, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, জিংক, আয়রন সোডিয়ামের উত্তম উৎস। তেজপাতা রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টরেল এলডিএল কমায়। স্মৃতিশক্তি নষ্ট করার জন্য দায়ি এনজাইমটি প্রতিরোধ করে। এছাড়াও আছে নানা গুণ। আসুন জেনে নেয়া যাক তেজপাতার চমৎকার সব গুণ।

Sunday, October 25, 2015

Smoking killing you - ধূমপান বিষপান, এখনই ত্যাগ করুন-

ধূমপানে বিষপান, আপনি যখন একটি সিগারেটে আগুন ধরিয়ে ধূমপান করতে শুরু করেন তার ৭ সেকেন্ডের মধ্যেই মস্তিষ্কে সিগারেট সেবনের প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়৷ আর এর অন্যান্য ক্ষতিকর দিকগুলো তো নিচে দিলাম:-

(১) ধূমপানের ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার (Bronchogenic Corcinoma)-এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়৷
(২) ধূমপানের ফলে ফুসফুসের অন্যান্য রোগ, যেমন- ব্রংকাইটিস -এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷
(৩) ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যায়৷
(৪) ধূমপানের ফলে মানবদেহে রক্তচাপ/ উচ্চরক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পায় ।
(৫) উচ্চরক্তচাপের রোগীর মস্তিষ্কের স্ট্রোক (Stroke) -এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷
(৬) ধূমপানের ফলে রক্তনালীর বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়, যেমন- রক্তনালী চিকন হওয়া, ইত্যাদি৷
(৭) যিনি ধূমপান করেন তার পার্শ্ববর্তী মহিলা, শিশু ও অধূমপায়ী ব্যক্তিরাও সমপরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়৷
(৮) ধূমপানের ফলে পরিবেশ দূষিত হয়৷ 

প্রতি বছরে ধূমপানে সমগ্র বিশ্বে তিন লক্ষাধিক লোক মারা যায়৷ কাজেই আর দেরী না করে এখনই
ধূমপান পরিত্যাগ করুন৷ 

আর ভাবছেন, এতদিনে এই বদঅভ্যাস অনেক চেষ্টা করেও ছাড়তে পারছেন না। তাহলে বলি, আপনার ধূমপান ত্যাগের জন্য আপনার ইচ্ছাই যথেষ্ট - উপরের ক্ষতিকর দিকগুলো আবার মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আর বলুন -

আর না ! আর না !


Search more related contents -
Custom Search

Jaundice : জন্ডিস বা পীত রোগ - সম্পর্কে জানুন

জন্ডিস বা পীত রোগ - Jaundice  !

জন্ডিস সবার কাছে পরিচিত একটি শব্দ। কমবেশি সবাই এই রোগ সম্বন্ধে জানেন। সময়মতো এর চিকিৎসা না করা হলে রোগ জটিল হয়ে মৃত্যুও হতে পারে। জন্ডিস (Jaundice) কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। এতে চামড়া ও চোখ হলুদ দেখায় কারণ শরীরে বিলিরুবিন নামে হলুদ রঞ্জক পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যায়। বিলিরুবিনের স্বভাবিক পরিমাণ < ১.০-১.৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার। এর দ্বিগুণ হলে বাইরে থেকে বোঝা যায়। কিছু ক্ষেত্রে প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হয়ে যায়। চামড়া পাণ্ডুর বা ফ্যাকাশে দেখায় বলে একে আগে পাণ্ডুরোগ বলা হত। ভারতীয় উপমহাদেশে জন্ডিসের একটি প্রধান কারণ হল ভাইরাস ঘটিত হেপাটাইটিস। মনে রাখবেন, জন্ডিস কোন রোগ নয়, বরং এটি হলো রোগের লক্ষন। ত্বক, মিউকাস মেমেব্রেণ এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়াকে জন্ডিস বলে। সাধারণত: আমাদের শরীরে প্রতিদিন ১% পুরনো লোহিত কণিকার স্থলে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা স্থানান্তরিত হয়। পুরনো লোহিত রক্ত কণিকা গুলো বিলিরুবিন উৎপন্ন করে, যা পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।  কোন কারণে শরীর থেকে বিলিরুবিন না বের হতে পারলে এই অধিক বিলিরুবিনের জন্য জন্ডিস হয়। বিলিরুবিনের কারণে ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলুদ হয়ে যায়। জন্ডিসের কারণে অন্যান্য সমস্যাও দেখা দেয়।

জন্ডিস রোগের লক্ষণ : প্রধান লক্ষণ হল চোখ ও প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া। সমস্যা বেশি হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদবর্ণ ধারণ করতে পারে। অনেকসময় পায়খান সাদা হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যকৃত শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গও দেখা যায়। এছাড়া শারীরিক দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, জ্বর, বমি, পেটব্যথা ইত্যাদি তো আছেই।

Friday, October 23, 2015

Health Tips - 1 : স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ছোটখাটা কিছু তথ্য জানেন কী ?

জানেন কী ? -


১.কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন , কালা দাগতো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।

২.কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে ।

৩.ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে গ্যারান্টি ।

৪.পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার কাছে ঝামেলা লাগে ? আরে আমি আছি না ?আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন । ফর্সা হবে পরিস্কার হবে


৫.পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা ।

৬.প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় ?ব্যাপার না ,নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।

স্বাস্থ্য কণিকা